NEWNewsগোদাগাড়ীটপ নিউজতানোরবিভাগহীনমুহুর্তের খবররাজশাহী সংবাদরাজশাহী সংবাদসংবাদ সারাদেশসারাদেশ

দুই কোটি টাকা লোপাটের তীর ইউএন ও নাইমা খানের দিকে সাথে ফ্যামিলি কার্ডের জটিল ধাঁদা

বিশেষ প্রতিনিধিঃ
রাজশাহীর তানোর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাইমাখান ঘিরে কয়েক ডজন অভিযোগ যেন সরকারের ভাবমূর্তির দিকে আঙ্গুল তুলেছে। তানোরে ফ্যামিলি কার্ডের স্বজনপ্রীতির অনুসন্ধান করতে গিয়ে উঠে এসেছে উপজেলা জুড়ে ইউ এনও নাজমা খান ঘিরে বিভিন্ন পেশার মানুষের নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের প্রশ্ন।

তানোর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করার পর থেকেই তিনি উপজেলা অফিসের একজন ৪র্থ শ্রেনির কর্মচারীকে বেছে নেন নিজের অবৈধ লেনদেনের মুখ পাত্র হিসেবে। এর পর শুরু হয় উপজেলা জুড়ে সেই পিওনের দাপট। ম্যাডামের আদেশ,ম্যাডামের নির্দেশ, ম্যাডাম এটা দিতে বলেছেন, ম্যাডামের মা অসুস্থ ম্যাডাম আমায় দিতে বলেছেন, সেই পিওনের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ তানোর উপজেলা জুড়ে। সুত্র বলছে সাধারণ মানুষের কোন অবৈধ তদবির থাকলে এভাবেই পূরণ হয় তানোর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে।

আর সরকারি কাজের নয়ছয় ফাইল পত্র রেডি করতে ম্যাডাম নিজেই পারদর্শী।ফাইলের বাহিরেও অলিখিত পুকুর খনন,সরকারি রাস্তা বিনষ্ট করে মাটি বহন এখনো চলমান তানোর জুড়ে।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ছাত্রলীগের রাজনীতি ও পদবি বহন করে আসা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাইমা খানের ভাগ্যে পড়েছে আরো একটি সোনায় সোহাগা দপ্তর তানোর উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি।অভিযোগ রয়েছে বড় ধরনের তদবির করে তিনি দীর্ঘ সময় ধরে সেই দপ্তরটির দায়িত্ব পালন করছেন। সেখানেও ভূমি সংক্রান্ত কার্যক্রম লালনীল খারিজ, লাল নীল নোটিশ ও নাম জারি জন্য নির্ধারিত কর্মচারীকে দায়িত্ব দেওয়া রয়েছে।

সেই অলিখিত দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি দিন শেষে চিহ্নিত সাক্ষর গুলির নির্ধারিত সালামি পৌছে দেন ম্যাডামের কাছে। গত ৫ আগস্ট যখন জুলাই যোদ্ধাদের স্মরণে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে নিয়ে স্মরণসভা চলছিল ঠিক তখন একজন ছাত্রদল নেতা ঐ স্মরণ সভায় উপজেলার নানা অনিয়ম তুলে ধরেন। তিনি সরাসরি তুলে ধরেন নাইমা খানম তানোরে প্রকল্পের সভাপতি থাকা অবস্থায় তার ইশারায় তানোরের সেই কথিত প্রকল্প থেকে দুই কোটি টাকা হরিলুট হয়েছে। সেই ছাত্রদল নেতার বক্তব্য ধরে রাজশাহী জেলা যুবদল ও বিএনপির একাধিক ব্যক্তি সংবাদ চলমান এর নিকট মুখ খুলেছেন।

বিএনপির পদ বহন করা সেইনেতা অভিযোগ করেন ফ্যামিলি কার্ড ছাত্রলীগ যুবলীগ সহ তার পছন্দের ব্যক্তিদের আলাদা তালিকা দিয়েছেন। তিনি আরো বলেন তানোরে যে দুইকোটি টাকা হরিলুটের কথা বলা হচ্ছে সেই গুলো সরকারের গোপন সংস্থা অনুসন্ধান করলেই এর সত্যতা মিলবে। যুবদল নেতা বলেন জামাত ইসলামের এমপি আর বিএনপির সরকার এমন দূরত্বের সুযোগ নিয়ে তিনি নিজের পছন্দের দলের লোকজনদের বিভিন্নভাবে সহায়তা করছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অনিয়মের একাধিক দিক তুলে ধরেন সেই পরিচ্ছন্ন যুবদল নেতা।

রাজশাহী শহরের সিপাই পাড়ার কুশ নামের একজন বরেন্দ্র এর ঠিকাদার জানান কিছুদিন আগে তিনি একটি এনজিও এর কাজ করতে গিয়ে তার নিকট নগদ ১লক্ষ টাকা ও দুই লক্ষ টাকা মুল্যের মাটি দাবি করেছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।উপজেলার পিওন এর মাধ্যমে এই দাবি করেছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। তিনি আরো বলেন তার দাবি পুরন না করায় আমার কাজেও বাধা সৃষ্টি করেছিল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।পরে কিছু গণমাধ্যম কর্মীদের মাঝে বিষয় টি জানাজানি হলে তার পিওন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার পক্ষে ক্ষমা চেয়ে নেন। এই ঘটনা নিয়ে যুগান্তর পত্রিকায় একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। এর পরে উপরে তদবির করে তিনি সব ঠিক করে নেন।

রাজশাহী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের একটি সুত্র জানান তানোর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মৌখিক অনিয়মের বিষয় পুর্বে থেকেই ভাষছে কিন্তু অজ্ঞাত কারনে সেগুলোর ব্যবস্থা গ্রহণ হয়নি। তিনি আরো বলেন জেলা প্রশাসক কার্যালয় অথবা বিভাগীয় কমিশনার অফিসের কোন এক অদৃশ্য শক্তির উপর ভর করেই তিনি বেপরোয়া। অভিযোগ এর বিষয় জানতে চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাইমা খান কে একাধিকবার ফোন ও মুঠো ফোনে মেসেজ করেও তার মন্তব্য পাওয়া যায়নি। নির্বাহী কর্মকর্তা নাইমা খানের পুর্বের কর্মস্থল পুর্বে তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ সহ সকল কিছু সংবাদ চলমান এর ২য় পর্বে তুলে ধরা হবে । চলবে >

এই ধরণের সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button