দুর্গাপুরে সাড়ে তিন শো বিঘার পুকুরেই ভাগ্য ফিরছে প্রশাসনের
বিশেষ প্রতিনিধিঃ
বেশ কিছুদিন ধরেই রাজশাহীর বাগমারা দুর্গাপুর ও পুঠিয়া অঞ্চল পুকুর খননকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত। নেতার দোহাই, প্রশাসনের আত্নিয়, অর্থের গরম সব মিলিয়েই যেন সরকারি আইনকে বৃদ্ধা আঙ্গুল দেখানোর অবস্থায় পরিনত হয়েছে এই তিন উপজেলার বেপরোয়া পুকুর খননের কার্যক্রম। সম্প্রতি সময়ে চলমান আরো একটি পুকুর খনন পুরো জেলাকে জানান দিতে বসেছে।দুর্গাপুর থানার উজাল খলসি আড়োইল এলাকা জুড়ে তিন ফসলি আবাদি জমিতে চলমান সাড়ে তিন শো বিঘার এই পুকুর খনন নিয়ে সরকারের প্রতি বিরুপ ধারণা করতে শুরু করেছে সংশ্লিষ্টরা।
সরকারি নিষেধ অমান্য করে দেবতাদের সন্তষ্ট করে রাতের আধারে এত দিন ছোট খাট পুকুর খনন হলেও এখন উজাল খলসির এই মাঠে প্রকাশ্যে আবাদি জমি নষ্ট করে চলছে পুকুর খননের উৎসব। এই উৎসবের দায়িত্ব পালন করছেন স্থানিয় কার্তিক সাহা নামের ব্যক্তি।
সুত্র বলছে কার্তিক সাহার দাপটের পেছনে রয়েছে অদৃশ্য শক্তি সেই শক্তির দাপটেই দিনরাত চলমান রেখেছে পুকুর খননের কার্যক্রম। পুর্বে বহুল প্রচারিত দুই একটি গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলে দুই এক জায়গায় অভিযান পরিচালনা করেন প্রশাসন। আর ছোট খাট সংবাদ কর্মীরা সেখানে গেলে তাদের গাড়ি পর্যন্ত ভাংচুর করার অভিযোগ রয়েছে পুকুর সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে। কিন্তু এবার ভিন্ন চিত্র রাস্তার পাশে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশকে বৃদ্ধা আঙ্গুল দেখানো হলেও এখনো প্রশাসনের নজরে আসেনি এই দুধের সর মার্কা অনিয়ম। বহুল প্রচারিত গণমাধ্যম গুলো সংবাদ প্রকাশ থেকে থেমে গেছে অজ্ঞাত কারণে।
অভিযোগ রয়েছে উপজেলার দুই বড় কর্তা পুর্বেই চুক্তি করে থাকেন জমির বিঘা নিয়ে। এক বাবু প্রতি বিঘায় কুড়ি হাজার ও অপর বাবু ১০ হাজার মোট ৩০ হাজার বাজেট হলেই বাবুরা পুতুল হয়েযান। স্থানিয় সাংবাদিক ধরন অনুযায়ি ২শ থেকে ২ হাজার টাকায় বিক্রি হয়ে যান। আবার সাংবাদিক পরিচয়ে অনেকেই পুকুর খনন কারির স্পাই হয়ে কাজ করে থাকেন।
কার্তিকের মত আরো চারজন ব্যক্তি রয়েছে তাহেরপুর দুর্গাপুর অঞ্চল জুড়ে যাদের মাথার উপর রয়েছে বড় হাত। সুত্র বলছে এরা সারাক্ষন সেই বড় হাতের আশে পাশে ঘোরা ফেরা করে থাকেন। সেই বড় হাতের অর্থের এক অংশের জোগান দিয়ে থাকেন এই পুকুর বাবা উপাধি পাওয়ায় রাক্ষসরা। তবে উজাল খলসির সাড়ে তিন শো বিঘার পুকুর খনন নিয়ে এমপি মন্ত্রীর নাম পর্যন্ত ব্যবহার করছেন পুকুর বাবা কার্তিক সাহা। কার্তিক সাহার এমন অনিয়মের রাজ্য যেন নিয়মের বাতাশ ভারি করে তুলেছে। সাড়ে তিন শো বিঘা আবাদি জমির কিছু জমি পুকুর খনন করতে দিতে না চাইলে সেই সকল কৃষকদের প্রাণ নাশের হুমকি পর্যন্ত দিয়েছে প্রভাব শালী পুকুর সিন্ডিকেটের সদস্যরা।
জন সম্মুখে এমন অনিয়মের বিষয় নিয়ে জানতে রাজশাহীর জেলা প্রশাসককে ফোন করলে তিনি ফোন তুলে নাই। তবে রাজশাহীর একটি সাংবাদিক সংগঠন জানান পুর্বে রাজশাহী অঞ্চলের চলমান অবৈধ পুকুর খনন বন্ধের জন্য পুকুর খনন কারিদের নাম সহ প্রেসক্লাবের প্যাডে লিখিত অভিযোগ দেওয়া রয়েছে এর পরেও কিভাবে এত বড় দীর্ঘ মেয়াদি অনিয়ম চলছে সেখানে কেন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না সেই বিষয় নিয়ে কঠোর আন্দোলনে যাওয়া হবে। তিনি বলেন, কিছু সরকারি কর্মকর্তার পকেট ভরতে সরকারের ভাব মুর্তী নষ্ট করা হচ্ছে। সেগুলো স্পষ্ট করা হবে।





