সেই ফায়সালের কালা ভুনা ঘোড়ার মাংস সন্দেহে পরিক্ষাগারে পাঠালেন প্রশাসন
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
রাজশাহীর পবা উপজেলার নওহাটা বাজারের ফাইসাল হোটেলে গরুর মাংসের সঙ্গে ঘোড়ার মাংস মিশিয়ে বিক্রির অভিযোগ উঠার বিষয় কয়েকটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়াকে কেন্দ্র করে অভিযোগের সৃষ্টি হয়েছে। তবে অভিযোগটি অস্বীকার করেছেন হোটেল মালিক ফাইসাল।
অভিযোগের পর বিষয়টি খতিয়ে দেখতে মঙ্গলবার হোটেলটি পরিদর্শন করেছে উপজেলা প্রশাসন ও প্রাণিসম্পদ বিভাগ। এ সময় হোটেল থেকে কাঁচা ও রান্না করা মাংসের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। নমুনাগুলো পরীক্ষার জন্য ঢাকার সেন্ট্রাল ডিজিজ ইনভেস্টিগেশন ল্যাবরেটরিতে (সিডিআইএল) পাঠানো হবে।সোমবার কয়েকটি ফেসবুকে ও অনলাইন যোগাযোগ মাধ্যমে অভিযোগ ভেষে উঠে,এবং মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়ে।
এতে ফাইসালের হোটেলে ভোজনরসিকদের ভিড় এবং কর্মচারীদের মাংস রান্না করতে দেখা যায়। বিভিন্ন মাধমে ক্যাপশনে দাবি করা হয়, হোটেলটিতে গরুর মাংসের সঙ্গে ঘোড়ার মাংস মিশিয়ে বিক্রির অভিযোগ। এরপর বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনের নজরে আসে।
পবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইবনুল আবেদীনের নেতৃত্বে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, ভেটেরিনারি সার্জনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা হোটেলটি পরিদর্শন করেন। ইউএনও বলেন,বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে হোটেলটি পরিদর্শন করে কাঁচা ও রান্না করা মাংসের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়ার পর অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত হওয়া যাবে। অভিযোগ সত্য হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা ভেটেরিনারি সার্জন সোহরাব খান বলেন, নমুনাগুলো ঢাকার সিডিআইএলে পাঠানো হবে। পরীক্ষার মাধ্যমে মাংসটি গরুর নাকি অন্য কোনো প্রাণীর মাংস মেশানো হয়েছে, তা শনাক্ত করা সম্ভব। সাধারণত পরীক্ষার ফল পেতে চার-পাঁচ দিন সময় লাগে। বিশেষ ক্ষেত্রে এক সপ্তাহও লাগতে পারে।উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আব্দুল লতিফ জানান, নওহাটা এলাকার অন্যান্য মাংস বিক্রেতা ও কসাইদের বিষয়েও তথ্য নেওয়া হচ্ছে। হোটেলে মাংস কোথা থেকে সরবরাহ করা হয় এবং সরবরাহকারীরা কারা, সেসব বিষয়ও তদন্তের আওতায় থাকবে। পাশাপাশি পশু জবাই ও মাংসের মান নিয়ন্ত্রণসংক্রান্ত সরকারি বিধিমালা অনুযায়ী নিয়মিত তদারকি করা হবে। পবা থানার অফিসার ইনচার্জ বলেন বিষয় টি নিয়ে একটি পক্ষ থানায় এসেছিলেন তাদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে যেহেতু যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বলা হয়েছে অভিযোগ উঠেছে তাই বিভিন্ন ভাবে তদন্ত করা হচ্ছে। যোগাযোগ মাধ্যমে কোন বিষয় অভিযোগ আকারে ভাষতেই পারে বেশ কয়েকটি যোগাযোগ মাধ্যমে অভিযোগ ভেষে উঠেছে তাই এর জন্য আতংকিত হয়ার কোন কারণ নেই। ঘটনা সঠিক হলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।





