সাংবাদিক ইমদাদুল হক, ও মোমিন ওয়াহিদ হিরোর প্রচেষ্টায় রাজশাহীতে ভাসমান মানুষের মুখে তুলে দেওয়া হচ্ছে খাবার
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
দীর্ঘ ২৩ বছরের সাংবাদিকতা জীবনে পথচারিদের হাতে কিছুদিন ধরে খাবার তুলেদিতে পেরে সত্যিই ভালো লাগছে বলে মন্তব্য করেছেন রাজশাহী মডেল প্রেসক্লাবের সভাপতি ইমদাদুল হক। ১৫ অক্টোবর সন্ধ্যায় সহকর্মীদের এক প্রশ্নের জবাবে রাজশাহী মডেল প্রেসক্লাবের সভাপতি পরিচ্ছন্ন ও সাংবাদিক দরদী সাংবাদিক নেতা ইমদাদুল হক এসব কথা বলেন। তিনি বলেন ২০০৩ সালে পাবনা থেকে প্রকাশিত দৈনিক পাবনার আলো পত্রিকায় মাধ্যমে প্রাচীন শহর পাবনাতে দৈনিক পাবনার আলোর স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে সাংবাদিকতা শুরু করেন।
২০০৬ সাল পর্যন্ত সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করা অবস্থায় পাবনার সুনামধন্য পত্রিকা দৈনিক সিনসার প্রধান প্রতিবেদক হিসেবে সিনসায় যোগদান করেন তিনি। ২০০৮ সাল পর্যন্ত দৈনিক সিনসার দায়িত্ব পালন করা অবস্থায় জাতীয় দৈনিক বাংলার দূত পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে ঢাকায় যোগদান করেন। ঢাকায় দুই বছর পার করে ২০১০ সালে নিজের জন্মভূমি রাজশাহীতে এসে দৈনিক নবরাজ, পত্রিকার রাজশাহী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। কিছুদিনের মধ্যে দৈনিক খোলা কাগজের রাজশাহী ব্যুরোর দায়িত্বপান সাংবাদিক ইমদাদুল হক। এর পরে দৈনিক অর্থনীতির কাগজ, দৈনিক আজকের জীবন পত্রিকায় বিভিন্ন সময় বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করে রাজশাহীর স্থানীয় দৈনিক উপচার পত্রিকায় দুই বছর গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। শেষের ৪ বছর দৈনিক রাজশাহীর আলো পত্রিকায় বার্তা সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ২০২০ সাল থেকে এখন ২০২৬ সাল পর্যন্ত জাতীয় দৈনিক প্রভাতের রাজশাহী ব্যুরো এবং জাতীয় দৈনিক আওয়ার বাংলাদেশ পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০২৫ সালে চ্যানেল এস এর রাজশাহী প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পান সাংবাদিক ইমদাদুল হক।এর পরে ২০২৬ সালে চ্যানেল পরিবর্তন করে দেশের সুনামধন্য চ্যানেল আনন্দ টেলিভিশনে সুনামের সাথে রাজশাহীর দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি সামাজিক ভাবে এতিমখানা মাদ্রাসা সহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি আরো বলেন রাজশাহী মডেল প্রেসক্লাব আমার প্রানের সংগঠন সেই সংগঠন আজ পথচারীদের মাঝে খাবার বিতরণ করছেন সেটি আমার গৌরব। রাজশাহীর সকল পেশাদার সাংবাদিক সহ সুশীল সমাজের দোয়া চান সাংবাদিক ইমদাদুল হক।
আরেক সাংবাদিক বান্ধব নেতা রাজশাহী মডেল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোমিন ওয়াহিদ হিরোর সাথে কথা বলে জানাযায়, তিনি ২০০৭ সালে রাজশাহীর স্থানীয় পত্রিকা দৈনিক সানসাইন পত্রিকার মাধ্যমে সাংবাদিকতায় প্রবেশ করেন। এরপরে বিভিন্ন পেশাদার সাংবাদিকদের কল্যাণে বিভিন্ন সময়ে কাজ করছেন। বিভিন্ন সুনামধন্য জাতীয় পত্রিকা ও অনলাইন পত্রিকা শেষ করে দেশের শীর্ষ স্থানীয় সুনামধন্য চ্যানেল মাছরাঙ্গা টেলিভিশনের স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি আরো বলেন রাজশাহীতে পথচারীদের মাঝে মডেল প্রেসক্লাবের সদস্যদের নিয়ে খাবার বিতরণ করতে পারছি সত্যিই এটি আল্লাহর নেয়ামত। এমন কাজ চলমান রাখতে সকলের নিকট তিনি দোয়া চান। তবে প্রেসক্লাবের সকল সদস্যদের আন্তরিকতায় প্রতি বৃহস্পতিবার মানুষের মুখে খাবার তুলে দিতে পেরে নিজেদের ধন্য মনে করেন রাজশাহী মডেল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক।
আনন্দ আর উৎসবমুখর পরিবেশে প্রত্যেক বৃহস্পতিবার মানুষের মুখে খাবার তুলে দেওয়া হয় বলে নিশ্চিত করেছেন রাজশাহী মডেল প্রেসক্লাবের সকল সদস্যবৃন্দ। ২০১৯ সালে রাজশাহী মডেল প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে বিভিন্ন সময়ে সচেতনতা মূলক ও নানামুখী কার্যক্রম করে রাজশাহী মডেল প্রেসক্লাব এখন সাংবাদিক সংগঠন হিসেবে সকলের নিকট প্রিয়, ও সাংবাদিক বান্ধব হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। ঈদের সময় প্রেসক্লাবের সাংবাদিক ছাড়াও সকল সাংবাদিকদের জন্য উপহার বিতরণ, প্রেসক্লাবের নিজস্ব অর্থায়নে পশু জবাই করে সাংবাদিকদের মাঝে বন্টন সহ নানা কার্যক্রম চলমান রেখেছেন রাজশাহী মডেল প্রেসক্লাব।
রাজশাহীর প্রবীণ সাংবাদিকরা জানান রাজশাহীর মডেল প্রেসক্লাব সত্যিই দৃষ্টান্ত স্থাপন করছেন। পূর্বে কখনো সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে প্রতি সপ্তাহে পথচারীদের মাঝে খাবার বিতরণ এমন কার্যক্রম আমাদের নজরে আসেনি রাজশাহী মডেল প্রেসক্লাবের কার্যক্রমের প্রশংসা করেন তারা।




