গাইবান্ধায় কাতারের পতাকার অসম্মান
বিপুল ইসলাম আকাশ গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ
কাতার বিশ্বকাপ ফুটবলের উন্মাদনা শেষ হওয়ার প্রায় ৫ মাস অতিবাহিত হলেও দেশের উত্তরের জনপদ গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় এখনো উড়ছে ভিনদেশি পতাকা। এসব পতাকা টাঙানো অবস্থায় রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে এবং শীতে স্যাঁতসেঁতে হয়ে বাতাসে ছিঁড়ে ও বিবর্ণ হয়ে গেছে। ফলে পতাকার অসম্মান এবং মর্যাদা হানি করা হচ্ছে। তাই টাঙানো পতাকা যথাযথ ভাবে নামিয়ে সম্মানের সাথে সংরক্ষণ করার দাবি সচেতন মহলের।
সচেতন মহল বলছেন, জাতীয় পতাকা একটি দেশের স্বাধীনতা, সম্মান এবং মর্যাদার প্রতীক। বিশ্বকাপ ফুটবল চলাকালীন সময়ে ভিনদেশি পতাকা টাঙিয়ে সেই দলের সমর্থন করা হয়েছিল। তবে বিশ্বকাপ ফুটবল শেষ হওয়ার প্রায় ৫ মাস পেরিয়ে গেলেও সেই পতাকা গুলো নামানো হয়নি। যারা পতাকা টাঙিয়েছে তাদের উচিত পতাকা নামিয়ে সম্মানের সাথে সংরক্ষণ করা। এই বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি এবং পদক্ষেপ গ্রহণে স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। তাহলেই পতাকার সম্মান এবং মর্যাদা অটুট থাকবে।
সুন্দরগঞ্জের সাহিত্য সংগঠন সুপ্রকাশ সাহিত্য সংসদ এর উপদেষ্টা এবং বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক সঞ্জয় সরকার বলেন, দেশপ্রেম মানুষের একটি অনন্য গুণ। এই গুণটি মানুষকে অর্জন করতে হয় বোধ এবং মেধার সমন্বয়ে। আধুনিক বিশ্বে যে কোন প্রান্তের যে কোন ঘটনা আমাদেরকে আন্দোলিত করে। বিশ্বকাপ ফুটবলও তেমনি। বর্তমানে খেলাধুলার সাথে দেশপ্রেম এবং জাতীয়তাবাদ পরস্পর জুড়ে গেছে। তবে ফুটবলকে কেন্দ্র করে যে পতাকা প্রদর্শনের সংস্কৃতি চালু হয়েছে সেটির নিয়ন্ত্রণ প্রদর্শন না করলে উৎসবের আনন্দে বিতর্ক তৈরি হওয়া অস্বাভাবিক নয়। এখনো ভিনদেশি পতাকা উড়তে দেখা যায় বিভিন্ন খানে অথচ বিশ্বকাপ শেষ বহু আগে। আমরা আনন্দ ভাগাভাগি করবো তবে পতাকাটি নামাতে ভুললে চলবে না।




