এবার রাজশাহীর শিক্ষা অফিসে দুদকের অভিযান
স্টাফ রিপোর্টারঃ
এবার রাজশাহী আঞ্চলিক শিক্ষা অফিসে দুদকের অভিযান পরিচালনা করেছে দুদক। এ সময় শতাধিক এমপিও ফাইল আটকে রেখে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে, পরিচালক ও উপ-পরিচালক কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।
জানা গেছে প্রতি মাসে এমপিও ফাইল আটকে রেখে কয়েক কোটি টাকা আয় করেন অসাধু কর্মকর্তারারা।পুর্বে রাজশাহী জেলা শিক্ষাকর্মকর্তা সাইফুল এর নামে ব্যপক অনিয়মের অভিযোগ উঠলে রাজশাহী মডেল প্রেসক্লাবের নজরে এলে তখন প্রেসক্লাবের সাংবাদিক বৃন্দ ধারাবাহিক সংবাদ প্রচার করেন। নিউজের সত্যতা পাওয়ার কারণে সাইফুল ইসলাম কে শাস্তি স্বরুপ অনত্র নিম্ন পদে বদলি করেন।
আরো জানা গেছে, জনবল কাঠামো সংক্রান্ত কোনো ভুল থাকলে,শিক্ষক প্রতি দুই থেকে তিন লাখ টাকা আর কলেজ প্রতি ২৫ থেকে ৩০ লাখ টাকা নেওয়া হয়। শুধু তাই নয়, সঠিক কাগজপত্র নেই বলে বিভিন্ন অজুহাতে লাইব্রেরিয়ান, অফিস সহকারি, পিয়ন, প্রদর্শক ও ল্যাব অ্যাসিস্ট্যান্ট এর বেতন বাবদ ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে ।
উচ্চতর স্কেল বকেয়া বেতন,নামের বানান ভুল, ইত্যাদি সংশোধনের নামে পাঁচ থেকে দশ হাজার টাকা করে নিয়ে থাকে এই অফিসের লোকজন।
আজ দুপুরে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের রাজশাহী আঞ্চলিক কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে কলেজের নতুন এমপিও ভুক্তির আটকে রাখা ৯১টি ফাইল পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশনের রাজশাহীর কর্মকর্তারা।
গত মাসে এমপিওর ১৫৫ টি ফাইল আটকে রাখার অভিযোগ ছিল এই শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে।
অপর দিকে আঞ্চলিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে কয়েকবার ফোন করেও পাওয়া যায়নি বলে সাংবাদিকদের জানান
দুদুক কর্মকর্তারা। দুদকের এমন অভিযান প্রশংসনীয় হয়ে উঠেছে বলে মতো মন্তব্য করা রছেন সুশীল সমাজ।




