NEWNewsটপ নিউজদূর্গাপুরপুঠিয়ামুহুর্তের খবররাজনীতিরাজশাহীরাজশাহী সংবাদরাজশাহী সংবাদসংবাদ সারাদেশসারাদেশ

রাজশাহীর দুর্গাপুরে আওয়ামী দোষর ছপির দপ্তির রষানলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান- আদালতের নোটিশ- পর্ব – ১

রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দেবীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে যেন ছপির ওরফে সাঈদ দম্পতির রষানলে পড়ে দুর্নীতির ঢেউ যেন স্কুলটির শিক্ষা ব্যবস্থাকে বিতর্কের মুখে ফেলে দিয়েছে।গত ১৬ বছর ধরে প্রধান শিক্ষক আখতারী খানম ও প্রতিষ্ঠানটির ছায়া প্রধান শিক্ষক আখতারী খানমের স্বামী সাঈদ আওয়ামী লীগের দাপট দেখিয়ে একক আধিপত্য, ক্ষমতার অপব্যবহার করে আসছেন।

বহুমুখী দুর্নীতির কারণে প্রতিষ্ঠানটির প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ও শিক্ষার পরিবেশ আজ ধ্বংসের দ্বারে পৌঁছেছে। দেবীপুর স্কুলের প্রধান শিক্ষক আখতারী খানমের স্বামী (মোঃ সাঈদ ওরফে ছপির তিনি দীর্ঘদিন দুর্গাপুর আওয়ামী লীগের পদে থাকা ব্যক্তিদের সাথে আতাঁত তৈরি করে নিয়োগ বাণিজ্য সরকারি অনুদান সহ প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন খাতের অনিয়ম ও দুর্নীতির জন্ম দিয়ে এখনো প্রকাশ্যে ঘুরছেন।শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় সচেতন মহলের দীর্ঘদিনের অভিযোগ
বিদ্যালয়টির নিয়োগ প্রক্রিয়ায় প্রকাশ্য দুর্নীতি ও ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ দীর্ঘদিনের।

স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা যায়, মহসিন নামক এক ব্যক্তির নিকট থেকে অফিস সহকারী পদে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ১৭ লক্ষ টাকা গ্রহণ করেন ছপির দম্পতি। দীর্ঘ তিন বছর পর সেই অফিস সহায়ককে স্কুলে বহাল করা জয়েছে। বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে তিন বছর পুর্বে মহসিন নামের ব্যক্তিকে নিয়োগ দেওয়া হলো কেই জানলেন না অথছ তিনি হটাৎ এসে স্কুলে ডিঊটি শুরু করলেন ছপির দম্পতির নির্দেশে,এটা কিভাবে সম্ভব? ছপির দম্পতি কি এখনো আওয়ামী লীগের অলৌকিক ক্ষমতা দেখাচ্ছেন।

বিষয় টি জানতে স্কুলে গেলে উঠে আসে প্রধান শিক্ষকের ভিন্ন রকম যুক্তি। দুর্গাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জড়িয়ে বলা হয় তিনি বিষয় টি জানেন। প্রধান শিক্ষকের সামনে দুর্গাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে ফোন দিতে গেলে তিনি বলেন পুর্বের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নতুন নির্বাহী কর্মকর্তা কে বলা হবে। এই নয় ছয় টালবাহানার বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি এবার বলেন তিনি অসুস্থ তার স্বামী ছপির এই বিষয় নিয়ে কথা বলবেন। বিকেলে ছপির প্রতিবেদকের ফোনে ফোন দিয়ে বলেন আমি আলাদা কথা বলতে চাই। স্কুলে প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে কেন আলাদা কথা বলতে চান প্রতিবেদকের পরের প্রশ্নে ফোন কেটেদিয়ে নানা তদবির শুরু করেন সংবাদ বন্ধে।

দেবীপুর হাইস্কুলের সরকারি বরাদ্দকৃত এবং বিদ্যালয় উন্নয়ন তহবিলের কয়েক লাখ টাকা কোন নিয়মনীতি না মেনে কেবল নামমাত্র খাতা কলম দেখিয়ে আত্মসাৎ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। বিজ্ঞান গবেষণাগারের যন্ত্রপাতি ক্রয় এবং লাইব্রেরি উন্নয়নের নামে সম্পূর্ণ ভুয়া ভাউচার তৈরি করে সরকারি অর্থ লোপাট করার অভিযোগ করেন একই প্রতিষ্ঠানের একজন শিক্ষক। এছাড়া বিদ্যালয়ের নিজস্ব বিভিন্ন সরঞ্জাম ও মূল্যবান সম্পদ ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহারের মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক সম্পদের ধারাবাহিক অপব্যবহার চলছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ উঠেছে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি বা এডহক কমিটি গঠনে সম্পূর্ণ নিয়মবহির্ভূতভাবে নিজের পছন্দসই ব্যক্তি ও আত্মীয়স্বজনদের প্রাধান্য দিয়ে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট তৈরি করা হয়েছে। এই সিন্ডিকেটের মাধ্যমেই বিদ্যালয়ের সব ধরনের অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্ত এককভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয়। অন্যদিকে, সরকারি বিধিমালাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির সময়, টেস্ট পরীক্ষার ফি এবং বিভিন্ন সার্টিফিকেট উত্তোলনের সময় নির্ধারিত ফির চেয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করে সাধারণ অভিভাবকদের বিব্রতকর অবস্থায় ফেলা হয়েছে।

শুশীল সমাজের দাবি দেবীপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের হারানো সুনাম, ঐতিহ্য এবং শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে এখনই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। সাধারণ শিক্ষার্থী, উদ্বিগ্ন অভিভাবক এবং স্থানীয় সচেতন মহলের জোর দাবি—শিক্ষা মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষ থেকে দ্রুত একটি নিরপেক্ষ ও উচ্চপর্যায়ের তদন্ত পরিচালনা করা হোক। তদন্ত সাপেক্ষে এই দুর্নীতিবাজ আওয়ামী দোষর প্রধান শিক্ষক দম্পত্তির বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে এই দম্পতিকে আইনের আওতায় নিয়ে বিদ্যালয়ে সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি।

জানতে চাইলে পুঠিয়া দুর্গাপুর (৫) আসনের সংসদ সদস্য প্রফেসর ননরুল ইসলাম বলেন এই ঘটনা লোক মুখে তিনি জেনেছেন বিষয় টি দুঃখ জনক। রাজশাহী জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জানান লিখিত অভিযোগ পেলে তিনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। তবে ছপির দম্পতি আওয়ামী লীগের হয়ে দুর্গাপুরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যে লুটপাট তান্ডব চালিয়েছেন তার উল্লেখযোগ্য কিছু প্রমান নিয়ে একজন সচেতন ব্যক্তি আদালত থেকে আইনী নোটিশ পাটিয়েছেন। তিনি আরো বলেন দুর্নীতি দমন কমিশন, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও শিক্ষামন্ত্রী পর্যন্ত অভিযোগ প্রস্তুত করেছেন। আওয়ামী দোষর ছপির দম্পতি শীঘ্রই আইনের আওতায় আসছেন বলেও জানান তিনি। চলবে >

এই ধরণের সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button