রাজশাহী সংবাদ

আইনজীবীদের বর্জনের প্রভাব পড়েনি রাজশাহী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহী জেলা আইনজীবী সমিতির মৌখিক সিদ্ধান্ত ছিল রাজশাহী চীফ ‍জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ও চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বর্জনের। তবুও আইনজীবীদের এ বর্জনের প্রভাব পড়েনি রাজশাহীর চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে। কারণ মৌখিক ঐ সিদ্ধান্ত ভেঙে কোর্টে সেদিন শুনানি করেন খোদ বারের এক আইনজীবী। আর বিচারকও নিয়মমাফিক দিনের সকল শুনানি সম্পন্ন করেন।

এর আগে, ১ অক্টোবর আদালত বর্জনের ওই সিদ্ধান্তটি নেয় রাজশাহী জেলা আইনজীবী সমিতি। কিন্তু পরদিন ২ অক্টোবর (বুধবার) তা ভেঙে আদালদে শুনানি করেন বারের আইনজীবী নাইরিন সুলতানা ডলি। রাজশাহী চীফ ‍জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান তালুকদার সে শুনানি সরাসরি শুনেন। এছাড়া দিনের অন্যান্য মামলার শুনানিও বাদী-বিবাদীদের কাছ থেকে সরাসরি শুনেন। এতে বারের আইনজীবীদের আদালত বর্জনের সিদ্ধান্ত একরকম পণ্ড হয় এবং তার কোনো প্রভাবও সেদিন আদালতে পড়েনি।

সেদিন আইনজীবী নাইরিন সুলতানা ডলি বাঘার এক আসামির পক্ষে জামিনের শুনানি করেন। শুনানির পর রাজশাহী চীফ ‍জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান তালুকদার জামিনটি মঞ্জুর করেন। এদিকে আইনজীবীদের একাংশ সেদিন আদালতে আসেননি। তবুও আদালতে এর কোনো প্রভাব পড়েনি। কারণ, কোর্ট ডায়েরি মোতাবেক সারাদিনের মামলাসমূহ শুনানি করেন এবং আদেশ দেন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান তালুকদার।

এক্ষেত্রে তিনি বাদী ও আসামিদের থেকে সরাসরি শুনে এ আদেশ দেন। সেদিন কোনো বিচারপ্রার্থী হয়রানি বা ক্ষতির সম্মুখীন হয়নি বলে জানান চীফ ‍জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বেঞ্চ সহায়ক মো. মোস্তাফিজুর রহমান।

এছাড়া মোহনপুরের এক ব্যক্তির দায়ের করা মামলার গতকাল রোববার ছিল রায় ঘোষণা। রায়ে আসামিকে ৫ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড করা হয়। এতে আসামি পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। অন্যদিকে মামলার বাদী এতে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

এই ধরণের সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো পড়ুন
Close
Back to top button